সর্বশেষ সংবাদ

সরকারী অস্ত্র পাহাড়া দেয় যাত্রীরা ॥ আনসার ঘুমায় নিশ্চিন্তায়

এম. আরিফুল ইসলাম : সরকারী অস্ত্র পাহাড়া দেয় যাত্রীরা। আর আনসার সদস্যরা ঘুমায় লঞ্চের ডেকে। এমনই অবস্থা প্রায় সব কটি লঞ্চে। এ বিষয় একাধিকবার ডিসি অফিসে আইনশৃঙ্খলা সভায় ঘটনাটি সম্পর্কে বলা হলেও লঞ্চ মালিক সমিতি ও আনসার ভিডিবি’র পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেই, নেব বলে আর নেয়া হয়নী। সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বরিশাল থেকে ঢাকা সরাসরি যে কটি জাহাজ যাতায়াত করে তার প্রত্যেকটিতেই যাত্রী নিরাপত্তার জন্য নির্ধারিত আনসার সদস্য রয়েছে। খোজ নিয়ে জানাগেছে, প্রতিটি লঞ্চে ২ জন কমান্ডার ও ৪ জন আনসার সদস্য থাকে। এদের ৫ টি সরকারী অস্ত্র দেয়া হয় যাত্রী নিরাপত্তার জন্য এবং তাদের থাকার জন্য লঞ্চের পিছনে নির্ধারিত স্থান করে দেয়া হয়। কিন্তু সেই স্থানে আনসার সদস্যরা থাকেনা থাকে সাধারণ যাত্রী। অথ্যাৎ রাতের বেলায় অপরিচিত যাত্রীদের কাছে ৫শ থেকে ৮ শ টাকা করে একটি সিট ভাড়া দেয়।images এমনীভাবে সিট ভাড়া দিয়া হলে আনসার সদস্যরা ও কমান্ডার নিচের ডেকে ঘুমায়। আর ৫ টি অস্ত্রের ৪টি যাত্রীদের মাথার কাছে গচ্ছিত রাখে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কাউনিয়ার সফিক ঢাকায় চাকুরী করে যে বরিশালের উদ্দেশ্যে আসতে চাইলে লঞ্চে কোন কেবিন না পাওয়া সরাপন্ন হয় এমভি টিপু লঞ্চের আনসার দেরে কাছে তারা সাফিককে অস্ত্রের রুমে থাকতে দিয়ে ৫শ টাকা নেয়। এর মধ্যে টিকিট ফ্রি। এমনীভাবে প্রতিটি জাহাজেই প্রতিদিন বহুঅচেনা যাত্রীদের কাছে অস্ত্র রেখে আনসার সদস্যরা তাদের সিট ভাড়া দেয়। সরকারী মাল সংরক্ষণ তো দূরে র কাথা , যাত্রী কিংবা নিজেরদের নিরাপত্তাই থাকে হুমকীর মুখে। যদিও এমন বিষয়টি স্বিকার করেছেন কিেনদ্্রয়্ন লঞ্চে মালিক সমিতির সহ সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু। তিনি বলেন, বিষয়টি অত্যান্ত বেআইনী। তাদের একাধিকবার বলা হলেও এখন পর্যন্ত কোন সমাধান হলেও এখন পর্যন্ত কোন সমাধান হয়নী। তাই তিনি জেলা আনসার পরিচালকের কাছে পুনরায় বিষয়টি সম্পর্কে জানাবে বলে জানান। এবং তার সাদ্ধমত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানান। এ বিষয় আনসার কমান্ডাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা সবত্র সতর্ক আছি যাত্রীরা এখন পর্যন্ত অস্ত্র নিয়ে কিংবা বেআইনী কোন দুর্ঘটনা ঘটায়্নী। তাই চিন্তামুক্ত । এ আনসার সদস্য আরো বলেন,যেহেতু বড় স্যারেরা কিছু বলেনা তাই আপনারা আর লিখে কী করবেন। জানাগেছে, বরিশাল থেকে ঢাকা যাওয়া আসার জন্য যে কটি জাহাজ রয়েছে তার মধ্যে ৮টি জাহাজে রয়েছে আনসার আর প্রত্যেকটিতেই একই অবস্থা। পুরোপুরী ঝুকি নিয়েই কিছু অপসার সদস্যরা করছে এ অনৈতিক ব্যবসা।

Leave a Reply