সর্বশেষ সংবাদ

ঝালকাঠিতে সুগন্ধি বোম্বাই মরিচ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
উৎপাদন খরচ কম এবং লাভ লাভ বেশি হওয়ায় image_50481_0ঝালকাঠিতে সুগন্ধি বোম্বাই মরিচ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সারা দেশেই এখানকার এই মরিচের চাহিদা রয়েছে। তাই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এখান থেকে এ মরিচ কিনে সারাদেশে সরবরাহ করে থাকে। তবে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পান না বলে অভিযোগ রয়েছে কৃষকদের। সে তুলনায় মধ্যস্বত্বভোগী পাইকারদের লাভ বেশি হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রীষ্মের দুঃসহ গরমে অনেকেই ভাতের সঙ্গে সুগন্ধি বোম্বাই মরিচ খেতে পছন্দ করেন। আর তাই বাজার থেকে অন্যান্য শব্জির সঙ্গে বোম্বাই মরিচও কিনে থাকেন। তবে ক্রেতারা জানেন না তাদের কেনা এই মরিচ উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠি থেকে এসেছে।
সদর উপজেলার ২২টি গ্রামের প্রায় ১শ’হেক্টর জমিতে এ বছর ঘৃত কাঞ্চন জাতের সুগন্ধি মরিচের আবাদ হয়েছে। রাসায়নিক সার দেয়া লাগে না এবং পোকা মাকড়ের উপদ্রব কম হয় বলে কৃষকরা এই মরিচ চাষের দিকে ঝুঁকছেন। প্রতিটি গাছ থেকে এক মৌসুমে  ৫’শ থেকে এক হাজার মরিচ পাওয়া যায় যা বিক্রি করে কম হলেও ৩’শ টাকা পাওয়া যায়। একটি গাছের জন্য ৩ থেকে ৫ বর্গফুট জায়গা লাগে। সারা দেশেই এখানকার এই সুগন্ধি মরিচের চাহিদা রয়েছে তাই বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা এখানকার হাট বাজারে ভিড় জমান। এখান থেকে অপেক্ষাকৃত কম দামে এ মরিচ কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে। তবে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পান না। কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, কম খরচে বেশি লাভ পাওয়া যায় বলে এ অঞ্চলের কৃষকরা সুগন্ধি বোম্বাই মরিচ চষে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
তাছাড়া এ মরিচ চাষে আলাদা জমি লাগে না অন্যান্য শব্জির সাথি ফসল হিসেবে চাষ করা যায়। ঝালকাঠি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চিন্ময় রায় জানান, খুচরা বাজারে কোন কোন সময় একটি মরিচ ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হয় অথচ এর উৎপাদক মরিচ প্রতি এক টাকাও পায় না। লাভের বেশির ভাগ তুলে নেয় পাইকারা এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি মনিটরিং করলে কৃষকরা লাভবান হতে পারে।

Leave a Reply