সর্বশেষ সংবাদ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ফের বিক্ষোভ

বরিশাল ওয়াচ .কম রিপোর্টঃছয়দফা দাবি আদায়ে চলা ধর্মঘট প্রত্যাহার হওয়ার একদিন পর ফের আন্দালনে নেমেছেবরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার সকালে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে তিন দফা দাবি আদায়েBarisal_University__BG_610618284 বিক্ষোভ মিছিল করেছে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

এর পর বেলা ১১টায় পৃথকভাবে দুই দফা দাবি আদায়ে বিক্ষোভ করে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

সকাল১০টায় অস্থায়ী ক্যাম্পাসে তিন দফা দাবি আদায়ে অর্থনীতি বিভাগেরশিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে এবং দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

দাবিগুলোহলো- বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগকে স্বতন্ত্র ঘোষণা করা, স্থায়ী ক্যাম্পাসে বরাদ্ধকৃত রুমের পাশাপাশি অতিরিক্ত দু’টি রুম দেওয়া (যারএকটি বিভাগের কম্পিউটার ল্যাব এবং অন্যটি বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরি রুমহিসেবে ব্যবহৃত হবে) ও বিভাগীয় উন্নয়ন তহবিল থেকে যে টাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরকেন্দ্রীয় হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে তা পুনরায় বিভাগীয় উন্নয়ন তহবিলে জমাদেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী অমি বলেন, আমাদের বিভাগের নিজস্ব কোনোলাইব্রেরি, ল্যাব ও সেমিনার রুম নেই। আমারা অতিরিক্ত যে টাকা জমা দেই, তাআমাদের বিভাগের অনুকূলে থাকার কথা কিন্তু তা হয় না। তিন বছরেও আমরা হলেকোনো সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এ অংশগ্রহণ করেতে পারিনি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীহোসেন বলেন, অর্থনীতি বিভাগের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই। আমরা প্রতিসেমিস্টারের শুরুতে উন্নয়ন, বিবিধসহ নানান সেক্টরে টাকা দিয়ে আসছি। যে সবটাকা আমাদের বিভাগের অনুকূলে জমা হওয়ার কথা। কিন্তু তা না হয়েবিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় হিসাবে জমা হয়। এসব টাকা জমা হওয়ার পরও আমাদেরবিভাগের কোনো উন্নয়ন হয়নি।

তিনি জানান, অর্থনীতি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিভিসি স্যারের কাছে যেতে বলেন, আর ভিসি স্যারকে বললে তার কাছ থেকে আশ্বাসছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়না।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের বিষয়েভিসি ড. মো. হারুনর রশিদ খান অবগত হওয়ার পর বেলা পৌনে ১১টায়অস্থায়ী ক্যাম্পাসে তার কার্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গেআলোচনায় বসেন।

এসময় শিক্ষার্থীরা ভিসির কাছে তাদের তিন দফা দাবি তুলে ধরলে, তিনি লাইব্রেরি ও সেমিনার বাবদ ১০ লাখ টাকা দেওয়ার বিষয় নিশ্চিত করেন।

এসময়তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ইতোপূর্বে সেমিনার, সিম্পোজিয়ামের জন্যঅর্থনীতি বিভাগের পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়নি। যে সব বিভাগ জানিয়েছেন তারাসেমিনার ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছেন।

তিনি আরো বলেন, টাকা কেন্দ্রীয়ফান্ডে জমা হওয়ার বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের হাতে। তবে সেটাকা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েরই থেকে যাবে।

অন্যদিকে, ভিসির সঙ্গেঅর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের বৈঠক চলাকালে দুই দফা দাবি নিয়ে পৃথকভাবেবিক্ষোভ মিছিল করেছে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবিহলো- বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগকে স্বতন্ত্র ঘোষণা ও মার্কেটিংবিভাগের উন্নয়ন তহবিল থেকে যে অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় হিসাবে জমাদেওয়া হয়েছে তা পুনরায় বিভাগীয় উন্নয়ন তহবিলে জমা দেওয়া।

এদিকে, বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সভা হওয়ার কথা রয়েছে।

 

Leave a Reply