সর্বশেষ সংবাদ

কসাই চিকিৎসকদের হাত থেকে মুক্তি চায় সাধারন জনগন…

সম্পাদকীয়:

শেখ সাঈদ আহমেদ মান্না..

 

অদক্ষ দালাল নির্ভর প্রতারক ডাক্তারে ছেয়ে গেছে নাগরী। ব্যাজ্ঞের ছাতার মতো চারিদিকে গজিয়ে ওঠা নাম না জানা অসংখ্য ডায়াগনস্টিক ল্যাবের আড়ালে এ সকল ডাক্তররা দালালের মাধ্যমে রোগী ধরার ফাঁদ তৈরি করছে। আবার যাদের কোন ডায়াগনস্টিক ল্যাবে স্থান হয়নি তারা নানা ঔষধের দোকানে আস্থানা গেরেছে। তবে মারাত্মক ভয়ঙ্কর বিষয় হলো এদের নামের শেষে সকল রোগের নামের ডিগ্রীর স্থান আছে।আর এই সর্বরোগ বিশেষজ্ঞ দাবিদার প্রতারকদের খপ্পরে পরে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে গ্রাম থেকে আসা অসহায় দরিদ্র রোগীদের ।আর ঐ সব মুখোশধারি কসাইরা চিকিৎসার নামে অপ্রয়োজনীয় মেডিকেল টেস্ট ও ঔষধ দিয়ে রোগী ও ডায়াগনস্টিক ল্যাব ও ঔষধ কম্পানির কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা ।

আর এতে করে নামমাত্র ডিগ্রী্ধারি ডাক্তারদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট দপ্তরগগুলির নজরদারী না থাকা এবং তাদের পর্দার আন্তরালে গোপন জোগশাজসের কারনে চিকিৎসকদের এই মহান পেশার প্রতি দরিদ্র রোগীদের আস্থা কমে আসছে বলে সচেতন নাগরিকদের দাবী।

মারত্নক উদ্ববেগের কথা এই যে, নাগরীর দুটি লঞ্ছঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে নেমেই দালালদের খপ্পরে পরতে হয় যারা কিনা বিভিন্ন নামি বিনামি ডায়াগনস্টিকের হয়ে কমশনে কাজ করে আসছে এবং রোগীদের নিয়ে যাচ্ছেন ডাক্তার নামক মুখশধারীদের কশাইখানায়। তবে এইসব কসাইদের নামের পাশে স্থান পাওয়া ডিগ্রি সমূহের সিংহভাগেরইই নেই কোন সত্যতা।
সাধারন মানুষ আশা করে প্রশাসনের কঠোর নজরদাড়ীর মাধ্যমে মুক্তী পাবে অসহায় দরিদ্র রোগিরা।এক্ষেত্রে মারাত্নক উদ্বেগের বিষয় গুঁটি কয়েক স্বার্থলোভী কসাইদের কারনে সম্নান ক্ষুন্ন হচ্ছে দেবতার মতো মহান চিকিৎসকদের।

এই মুহূত্রে জনগণের সময়ের দাবী যেই বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরেও যুদ্ধাপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি হয় এবং যে দেশে কিনা ক্রিকেটাররা দুর্নীতি অনিয়ম করলে কোটি টাকা জরিমানা এমনকি বিভিন্ন মেয়াদ থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ হয়,কিন্তু সেই দেশে কেন হাতের নাগালে প্রমান থাকা সত্ত্বেও অবৈধ ডাক্তারদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তীর ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়না???

কেন আজও চলছে মুখশধারি দাক্তারদের সম্রাজ্য???স্বাধীনতার ৪৩ বছরেও যদি আমরা মুখশধারি ডাক্তারদের কশাইখানায় শৃঙ্খলবদ্ধ থাকি তবে কেন এই স্বাধীনতা।আমরা চাই সেই স্বাধীনতা যা সকল নাগরিক অধিকারের পাশাপাশি আমাদের সু-চিকিৎসার নিশ্চয়তা দিতে পারবে ।তাই জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে আজই ঐ সব ভুয়া ডিগ্রীধারী ডাক্তার ও অবৈধ গুটি কয়েক নামধারী ডায়াগনস্টীক সেন্টারের বিরুদ্ধ কঠোরতম ব্যাবস্থা গ্রহন করা হোক।

Leave a Reply