সর্বশেষ সংবাদ

ফেরির গ্যাংওয়ে পানির নিচে, রাস্তায় গাড়ি চলাচলে অসুবিধা

বরিশাল ওয়াচ ডেস্কঃজোয়ারের পানিতে ফেরির গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে পটুয়াখালীর আটটি ফেরিঘাটে। এতে পর্যটকসহ দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষাধিক যাত্রীকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ।

patuakhali_3_781209731

চারদিকে নদী বেষ্টিত পটুয়াখালী জেলা। জেলা সদরের সঙ্গে ফেরি বিহীন যোগাযোগ শুধু মাত্র দুমকী উপজেলা। বাকি সাতটি উপজেলার সঙ্গে সড়ক পথে যোগাযোগ করতে হলে ফেরি পারাপার বাধ্যতামূলক। এছাড়া পটুয়াখালীর থেকে বরিশাল, ঢাকা, কুয়াকাটা ও বরগুনায় সড়ক পথে যেতে হলে ফেরির ওপর নির্ভর করতে হয়।

বাস চালক মনোয়ার হোসেন জানান, বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে লেবুখালী ফেরি পাড়ি দিয়ে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা আসা-যাওয়া করতে হয় প্রতিদিন লক্ষাধিক যাত্রীকে। এছাড়া প্রতিদিন এই ফেরি দিয়ে হাজার হাজার গাড়ি আসা-যাওয়া করে।

ফেরির স্টাফ আব্দুল কুদ্দুস জানান, গত রোববার থেকে পূর্ণিমার জোয়ারের প্রভাবে এই ফেরি ঘাটের গ্যাংওয়ে কোমর সমান পানিতে তলিয়ে যায়। জোয়ারের পুরোটা সময় এভাবে তলিয়ে থাকে পরে ভাটায় ধীরে ধীরে পানি নেমে যায়। ফলে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজটের। তখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি ঘাটের উভয়পাড়ে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে। যা এখনও অব্যাহত আছে।

তিনি জানান, এ অবস্থায় ছোট ছোট বাস ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করতে পারলেও বড় বাসসহ অন্যান্য যানবাহন ফেরিতে উঠতে না পেরে ঘাটের উভয়পাড়ে ভাটার অপেক্ষায় থাকে।

প্রতি বছর আমাবশ্যা আর পূর্ণিমার সময় জোয়ারের প্রভাবে লেবুখালী ফেরিঘাট এভাবে অচল হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির সদস্য আলী হোসেন জানান, যানজটের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগই দায়ী। তাদের বার বার বলা সত্ত্বেও এ ব্যপারে তারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

তিনি জানান, ফেরির গ্যাংওয়ে মেরামত না করা হলে পরিবহন ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়া ছাড়া আর কিছু করার থাকবেনা।

পটুয়াখালী নির্বাহী প্রকৌশলী (সওজ) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, আমাবস্যা পূর্ণিমার জোয়ারের প্রভাবে পায়রা নদী সহ জেলার পার্শ্ববর্তী সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে এ দুরাবস্থার সৃষ্টি হয়।

Leave a Reply