সর্বশেষ সংবাদ

ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু,চিকিৎসক আটক ,স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানাতে ছুটে গেলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সেরনিয়াবাত সাদেক আব্দুল্লাহ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃবরিশাল নগরীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় কেরামত আলী নামক এক রোগী মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মৃত্যূর খবর শোনা মাত্রই রোগীর স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানাতে সেখানে ছুটে যান কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সেরনিয়াবাত সাদেক আব্দুল্লাহ।

এ ঘটনায় এক চিকিৎসককে আটকের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাত ১১টায় বরিশাল নগরীর সদররোডস্থ মোকলেছুর রহমান ক্লিনিকে অপারেশন চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত কেরামত আলী (৭০) বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিহারী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

মৃত রোগীর স্বজনরা হত্যা বলে দাবি করলেও চিকিৎসকরা বলছে কার্ডিয়াক এরেস্ট (হার্ট অ্যাটাক)।

কেরামত আলীর ছেলে সোহেল জানান, বেশ কিছু দিন ধরে তার বাবা পেটের ব্যাথায় ভুগছিলেন।

ওই সময় তাকে নিয়ে আসা হয়েছিল বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের ইউরো সার্জন ও সহকারী অধ্যাপক ডাঃ রফিকুল বারীর চেম্বারে। তিনি ওই রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওষুধ খেতে দেয়। দীর্ঘদিন ওই ওষুধ খেয়ে রোগী আরো অসুস্থ্য হয়ে পড়েন।

পরে তার চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত স্বজনরা ফের ডাঃ রফিকুল বারীর কাছে রোগীকে নিয়ে আসে।

ছেলে সোহেল জানান, এসময় চিকিৎসক রোগীর পোস্টেট অপারেশন করতে হবে বলে স্বজনদের জানান। তার পরামর্শ অনুযায়ী ২২ হাজার চুক্তি করে রোগীকে গত ২৩ জুলাই মোকলেছুর রহমান ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

তিনি জানান, এর প্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। এর ৫ মিনিট পরই স্বজনরা শুনতে পারেন তাদের রোগী বেঁচে নেই।

সোহেল অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবার কোনো হার্টের রোগ ছিল না হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাকির হোসেন এ কথা বলেছিলেন। কিন্তু এনেসথেশিয়ার চিকিৎসক ডাঃ আবির হোসেন ও ডাঃ রফিকুল বাড়ী ভুল চিকিৎসা করে আমার বাবাকে মেড়ে ফেলেছে।

সোহেল বলেন, আমি আরো সময় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে বাবাকে অপারেশন করানোর জন্য বললেও তারা তা শুনলোনা। তিনি এ বিষয়ে মামলা করবেন বলে সাংবদিকদের জানান।

ডা রফিকুল বাড়ী জানান, অপারেশন থিয়েটারে রোগী প্রবেশ করানো পর সে সার্ডেন কার্ডিয়াক এরেস্ট রোগে মারা গেছেন। তিনি বলেন, যে কোনো রোগী এই রোগের যে কোনো সময় মারা যেতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, ইতো পূর্বে রোগীর কোনো ভুল চিকিৎসা হয়নি। বরং রোগী প্লাডেক্ট ওষুধ সেবন করতো। যার কারণে মানবদেহে সহসা রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না। আমরা এজন্য রোগীর অপারেশন পরে করাতে চাইলেও স্বজনরা ঈদের আগেই করিয়ে দিতে বলেন।

 

Leave a Reply