সর্বশেষ সংবাদ
রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সাঈদ বারীঃ কবি জীবনানন্দ দাশের ৬১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৫৪ সালের এ দিন তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
কবি জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশশতাব্দীর শেষ ধাপে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দেযখন তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল তত দিনে তিনি বাংলা সাহিত্যেরজনপ্রিয়তম কবিতে পরিণত হয়েছেন।
জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুবার্ষিকী এ উপলক্ষে বরিশালে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো।এ ছাড়া ১৮ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরেকবি স্মরণে শুরু হয়েছে পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। চলছে জীবনানন্দ দাশেররচিত ও তাঁর সম্পর্কিত গ্রন্থের প্রদর্শনী।
তিনি ১৯৮৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী বরিশাল জেলা শহরে জীবনানন্দ দাশ জন্মগ্রহন করেন।তাঁর জীবন কেটেছে চরম দারিদ্রের মধ্যে। ১৯১৯ সালে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে সম্মানসহ বিএ এবং১৯২১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ ডিগ্রি নেন।তিনি ছোটবেলা থেকেই কবিতা লিখতেন।
তাঁর মা কুসুমকুমারী দাশের প্রভাবে কবিতা লিখতে শুরু করলে ১৯১৯ সালে ‘বর্ষা আহবান’ নামক তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ব্রহ্মবাদী পত্রিকায়। তখন তিনি শ্রী জীবনানন্দ দাশগুপ্ত নামে লিখতেন। ১৯২৭ সাল থেকে জীবনানন্দ দাশ নামে লিখতে শুরু করেন। ঝরা পালক, রুপসী বাংলা, ধুসর পান্ডুলিপি, মহাপৃথিবী, বনলতা সেন, সাতটি তারার তিমির জীবনানন্দের উল্লেখযোগ্য রচনাসমগ্র। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ধাপে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন।তিনি প্রধানত কবি হলেও বেশ কিছু প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনাও প্রকাশ করেছেন। জীবনানন্দ দাশ ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ৯ মে ঢাকার ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরেরোহিনীকুমার গুপ্তের মেয়ে লাবণ্য গুপ্তকে বিয়ে করেন। তাঁর মেয়ে মঞ্জুশ্রীদাশ এবং ছেলে সমরানন্দ দাশ। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে অকাল মৃত্যুর আগে তিনি নিভৃতে ১৪টি উপন্যাস এবং ১০৮টি ছোটগল্প রচনা গ্রন্থ করেছেন। কবি জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ সব বয়সের মানুষকে বুঁদ করে রাখে বাংলার সৌন্দর্যে, দেশপ্রেমে।

 

 

 

 

 

Leave a Reply