সর্বশেষ সংবাদ
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক

ঝালকাঠির নবগ্রাম ইউনিয়নের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে ঘর থেকে ডেকে এনে ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে পরমহল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী কে দুই সহপাটি বখাটে ধর্ষন করে অচেতন অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রাখে বলে এলাকাবাসী জানায়। এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে ঝালকাঠি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান ধর্ষক ও এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করলেও অপর এক ধর্ষক আত্মগোপন করেছে।

বুধবার সকালে ধর্ষিতার মা সহ স্থানীয়রা জানায়, পরমহল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে স্থানীয় মনিরের বখাটে ছেলে কাইউম, ঝালকাঠির কৃষ্ণকাঠি এলাকার ড্রাইভার হানিফের ছেলে রাসেল (২১) গত এক সপ্তাহ যাবত কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বখাটেদের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় কিশোরী ছাত্রীকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিবেশী ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ছাত্র রিমন কে দিয়ে দুই ধর্ষক বাড়ীর সামনে ডাকে আনে।

রিমন ডেকে এনে চলে গেলে ছাত্রীটি বারান্দার সম্মুখের রাস্তায় আসা মাত্র সেখানে ওঁতপেতে থাকা বখাটে রাসেল ও কাইউম ওরনা দিয়ে মুখ চেপে ধরে। উক্ত দুই ধর্ষক রাসেল ও কাইউম পার্শবর্তী পাইতরা বাগানে নিয়ে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষন করে। পরে অচেতন অবস্থায় ধর্ষিতার বাড়ির সামনে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় বলে তারা জানায়। তারা আরো জানায়, ঘটনার পর ধর্ষিতা বিষয়টি তার মা কে জানালে তার মা বাড়ির লোকজনকে জানায়। এর পর স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ও তার সহযোগীরা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার ব্যাপক তৎপরতা চালায়। এমনকি ধর্ষিতার পরিবারকে নানা প্রলোভন ও হুমকি দেয় বলে জানাযায়।

খবর পেয়ে বুধবার দুপুর ১২টায় ঝালকাঠি থানার এস আই ফারুক হোসেন ও এ এস আই হারুন এর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে সহযোগী রিমন কে আটক করলে সে উপস্থিত সকলের সামনে দুই ধর্ষকের কথায় ডেকে এনে দেয়ার কথা স্বীকার করে। পরে তার স্বীকারোক্তী মোতাবেক প্রধান ধর্ষিতা রাসেল কে আটক করলেও অপর ধর্ষক এরিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত পালাতক রয়েছে। পুলিশ মেডিকেল পরিক্ষার জন্য স্কুল ছাত্রীকে ঝালকাঠি থানায় নিয়ে এসেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Leave a Reply