সর্বশেষ সংবাদ
উপকূলে  তীব্র তাপদাহের পর স্বস্তির বৃষ্টি

উপকূলে তীব্র তাপদাহের পর স্বস্তির বৃষ্টি

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা ।। দীর্ঘদিনের ভ্যাপসা গরমের পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টির দেখা পেল বরগুনার আমতলী ও তালতলী  উপজেলাবাসী। মৌসুমি বায়ুর বিস্তারে দেশের অন্যান্যস্থানের
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ২ টা থেকে টানা দু’ঘন্টার বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কমে গিয়ে সরে যেতে শুরু করেছে গরমের অস্বস্তি। রোদের ঝিলিমিলিতে এদতাঞ্চলবাসীর সকাল শুরু হলেও হঠাৎ আঁধার নেমে আসে। টানা দু’ঘন্টার বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরে আসে গরমে হাঁসফাঁস করা জনমনে।
আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর (বর্ষা) প্রভাবে বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলায় টানা দু’ঘন্টা বৃষ্টি হয়েছে। ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রা অনেকাংশে হ্রাস পাবে। আগামী কিছুদিন আকাশে মেঘ-বৃষ্টির লুকোচুরি খেলা চলবে বলে জানিয়েছেন ওই সূত্রটি। বৃষ্টির কারণে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমবে। জুন মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হবে। একই সাথে জুন মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুইটি মৌসুমি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এ মাসে দেশে নদ-নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে। তবে মাসের শেষার্ধে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে বলেও সূত্রটি উলে¬খ করেন। সূত্রমতে, চলতি মৌসুমে এ অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আমতলীসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের জনপদজুড়ে আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে জনজীবন হয়ে উঠেছে বিপর্যস্ত । শুকিয়ে যায় খাল, বিল, পুকুর। অনেক নদীর শাখা প্রশাখার পানি কমে গিয়ে ছোট ছোট লঞ্চ চলাচলেও বাঁধাগ্রস্থ হতে হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তীব্র তাপদাহে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ শুকিয়ে যায়। খোঁদ আমতলী ও তালতলী শহরেই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে নিরাপদ পানি সংকট দেখা দেয়। তাপদাহের কারণে গোটা দক্ষিণাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগ।

Leave a Reply