সর্বশেষ সংবাদ
বানারীপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত না হওয়ার সম্ভাবনায় হতাশা

বানারীপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত না হওয়ার সম্ভাবনায় হতাশা

বানারীপাড়া ॥ উৎসাহ উদ্দীপনা আগ্রহ জেগেছিল বানারীপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিল কে ঘিরে। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারী  বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে এই উপজেলায় কাউন্সিলের মাধ্যমে ছাত্রলীগের কোন কমিটি গঠিত হয়নি। তাই সাধারন ছাত্রদের মাঝে আগামী ১৩ জুনের কাউন্সিল কে গিরে ছিল ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা আগ্রহ। এখানকার ছাত্রদের মাঝে একটাই আলোচনা ছিল এই প্রথম আমাদের সময়ে বানারীপাড়ায় ছাত্রলীগের কাউন্সিল হবে। আমরাই হব বানারীপাড়ার প্রথম ইতিহাস। একটি অনাকাঙ্গিত দূর্ঘটনা সাধারন ছাত্রদের মনের ভিতরে জ্বালানো আশার আলো নিভিয়ে দিয়ে গেল। এ অবস্থায় তাদের মনে এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আদৌ ঘোষীত সময়ে কমিটি হবে কি না। যে ছাত্র সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে ১৯৪৮ সালের শিক্ষনাবিশ, ৫২’র ভাষা, ৫৪ যুক্তফ্রন্ট ৬৬’র ছয়দফা ৬৯’র গণ অভ্যুত্থান,৭০’র নির্বাচন ৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ও ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের অগ্রভাগে থেকে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে দেশ গঠনে মর্যাদার আসনে আসীন হয়ে আছে থাকবে যতদিন এ দেশের গণমানুষের অধিকার আদায়ের কাঙ্গিত লক্ষ অর্জন না হয়। সেই ঐতিহ্য গৌরব ও সংগ্রামের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বানারীপাড়া উপজেলার নতুন কমিটি করতে গিয়ে বার বার বাধা গ্রস্থ হচ্ছে। আর এই উপজেলায় ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠিত হবে শুনে যারা ছাত্র রাজনীতিতে আসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন,তাদের পূর্বের কর্মকান্ড প্রকাশ পাওয়ায় অনেকে হাল ছেড়ে দিয়েছেন ছাত্র নেতা হওয়ার।  আর বর্তমানে যারা পদপদবী নিতে আগ্রহী তাদের অনেকের পরিবার জামায়াত ঘরনার রাজনীতির সাথে জড়ির অনেক আগে থেকেই। আবার কেউ আছেন যারা ছাত্রদলের ১০ম কাতারের ছেলেদের সাথে নিয়ে ঘুরছেন, বলছেন এরাই পরে ছাত্রলীগের  রাজনীতি করবে। তবে এলাকায়  ঘুরে দেখা গেছে এরা কোন দলের পিছনে ঘুর ঘুর করলে সেই দলের শীর্ষ নেতাদের তাদের অপকর্মের গানী টানতেই সময় কেটে যাবে। যাদেরকে দিয়ে এই উপজেলার ছাত্রলীগের কমিটি করতে অনেকে আগ্রহী “আল্লাহ যেন না চায়’ আওয়ামী লীগ কোন দিন যদি বিরোধী দলে যায় তবে ওই ছাত্র নেতারা জয় বাংলা ম্লোগান দিতে কখনো বানারীপাড়ায় আসবে না। কারন এদেরকে দলের অসুবিধার সময় কখনো মিছিল মিটিং- এমন কি ঘরোয়া বৈঠকেও দেখা যায়নি। তবে দেখা গেছে পৌর শহরের মোড়ে মোড়ে তৎকালীন সরকার দলীয় ক্যাডার বাহিনীদের সাথে। এরাই এখন ছাত্রলীগের পদপদবী নিতে ভদ্র’র ভেষে উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ অনেক নেতাদের মন কেরে নিতে সক্ষম হয়েছে। এদের যোগ্যতা এত টুকুই দল সরকারে আছে তাই ছাত্রলীগ করবে। আর দল বিরোধী দলে থাকলে এরা কোন দলের সমর্থক তা বোঝাই মুসিবত হয়ে পরে। যাদেরকে দিয়ে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি করা দরকার তারা যদি কমিটিতে বড় পদ পেযে যায়, তবে অনেকের রাজনীতির ভীত নড়েচরে যেতে পারে। কারন এই পদ প্রত্যাশীরা ৬০ মিনিটের মধ্যে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও পৌর শহর থেকে কয়েক শত দলীয় ত্যাগী কর্মী বের আনতে পারেন। এমন কি তারা যদি পৌর শহরের কোন সড়ক থেকে একাও হেটে যায় তবেও সেটা আওয়ামী লীগের মিছিল  হয়ে যায়।  উপজেলায় অনেক বড় নেতা আছেন যারা ৬০ দিন চেষ্টা করেও একজন ত্যাগী কর্মী সাথে নিয়ে রাজ পথের কর্মসূচিতে বের হতে পারবেন না। তবে সাধারণ ছাত্রদের আশা জেলা ছাত্রলীগ’র নের্তৃবৃন্দ সরেজমিনে ঘুরে কারা দলের দূর্দিনেও হাল ছেড়ে বাড়ির পালে বসে সময় নষ্ট করবে না। বরং দল গোছাতে আপ্রান চেষ্টা করবে। সেই রকম ছাত্রদের দিয়ে কাউন্সিলের সময় আর পরিবর্তন না করে ১৩ জুন বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা করবে

Leave a Reply