সর্বশেষ সংবাদ

কীর্তনখোলার ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন ২০ বসতবাড়ি

কীর্তনখোলা নদী ভাঙনে চরকাউয়া বাজারের দোকান-বসতি মিলিয়ে ২০টি প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে এ ভাঙন শুরু হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা অব্যাহত রয়েছে।

সকাল সোয়া ১০টায় ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী। তবে পানি উন্নয় বোর্ডের পক্ষ থেকে কেউ তখন পর্যন্ত আসেনি।

চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ছবি বলেন, ‘সকাল সড়ে ৬টা থেকে পুরানো ফেরিঘাট থেকে ভাঙন শুরু হয়। অব্যাহত ভাঙনে সকাল থেকে ২০টি প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়েছে কীর্তনখোলার গর্ভে। এরমধ্যে মুদী, তেল ব্যবসায়ী, যন্ত্রাশেংর দোকান ১৭টি এবং ৩টি বসত ঘর রয়েছে।

পানির চাপ বাড়ায় প্রতি বছরের মতো এবারেও ভাঙনের সৃষ্টি হয়ছে। ইতোমধ্যে ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙন আতঙ্কে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাজারের অর্ধশত দোকানঘর।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই দোকানীরা তাদের মালামাল বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। আর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে রাজ্জাক মজুমদার, হায়দার মজুমদার, আব্দুল হান্নান মিয়া, মো. সেলিম, মো. রিয়াজ, সুলতন মিয়া, মো. লাবু, ইদ্রিস হোসেন, মো.রাজীব, মো. কাসেম, মো.সাইফুল, কাওসার মিয়া, মো. নূরুজ্জামান, আইয়ূব আলী, আনোয়ার হোসেন, মো. শাহিন, নূরুল ইসলাম, তৈয়ব আলী, মো. সামেদ এবং আব্দুর রশীদ মিয়ার প্রতিষ্ঠান। আর ভাঙনের হুমকির মুখে আছে চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, মসজিদ, মাদরাসা এবং বাসস্ট্যান্ড।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান জানান, তিনি ইতোমধ্যেই চরকাউয়ার ভাঙন ঠেকতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নেয়া ৩টি প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply