সর্বশেষ সংবাদ
যৌন হয়রানি অন্যতম কারন অবাধ পর্ণগ্রাফি

যৌন হয়রানি অন্যতম কারন অবাধ পর্ণগ্রাফি

মোস্তফা জামান,

আমি জানি, কাউকে জ্ঞান বা উপদেশ দিয়ে পর্ণ এবং পর্ণগ্রাফি থেকে বিরত রাখতে পারা যায় না।

যুব সমাজের ধংসের অন্যতম কারন পর্ণগ্রাফী। এই সব ভিডিও দেখার কারনে যুবকদের মনে সব সময় যৌন চিন্তা থাকে। যার কারনে নারী ধর্ষণ, ইভটিজিং,যৌন হয়রানি দিন দিন বাড়ছে । পরিবারের অসচেতনতাও যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের অন্যতম প্রধান কারণ।

বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট আইন বা নির্দেশনা নেই। কম দামী মাল্টিমিডিয়া সুবিধা সম্বলিত হ্যান্ডসেট গুলো তরুণদের হাতে হাতে ঘুরে ফিরছে। ইন্টারনেট মাধ্যমে ইন্টারনাল বা এক্সটারনাল মেমরীতে ফোনে/ট্যাবলেটে অশ্লীল ভিডিও চিত্রগুলো সংরক্ষণ ও ব্লু টুথ প্রযুক্তিতে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অন্যের মোবাইল ফোনে।

নিউরোসাইন্স বলে, শরীরের মত আমাদের মস্তিস্ক ও যে কোনো অবস্থার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। আমরা যা দেখি, শুনি, করি, শিখি এবং আমাদের অভিজ্ঞতা লব্ধ জ্ঞান থেকে আমাদের মস্তিস্ক যে ইনপুট গুলো পায় সেগুলোর উপর ডিপেন্ড করে আমাদের মস্তিস্কের এই প্যাটার্ন আবার প্রতিনিয়ত বদলাতে থাকে নিয়মিত পর্ণ ছবি যারা দেখে তাদের মধ্যে হস্ত মৈথুনের অভ্যাসটাও বেশি থাকে। অতিরিক্ত হস্ত মৈথুন করার ফলে তাদের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বাড়ে এবং যৌন জীবনে নানান সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

নৈতিক অধঃপতন থেকে তাদের ফেরাতে প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় লাইব্রেরী ও খেলাধুলার ক্লাব স্থাপন করতে হবে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। পরিবারকে সন্তানের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

প্রযুক্তির অপব্যবহার বন্ধ করতে সরকারেরও সমান দায়িত্ব রয়েছে। আপত্তিকর কন্টেন্ট থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েক বছর আগে সরকারের পক্ষ থেকে ইউটিউব বন্ধ করা হয়েছিল। উদ্যোগ টা ভাল কি মন্দ ছিল সে প্রসঙ্গে যাবনা, আমি শুধু বলতে চাইছি সরকার চাইলে তরুণ সমাজের জন্য কিছু উদ্যোগ নিতে পারে। তারা চাইলে পর্ণ এবং দেশি চটি সাইট গুলো বন্ধ/ব্লক করার ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে পারেন,

Leave a Reply