সর্বশেষ সংবাদ
<span class="entry-title-primary">ডিসেম্বরের মধ্যেই জেলা পরিষদ নির্বাচন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী</span> <span class="entry-subtitle">বরিশাল ওয়াচ ২৪</span>

ডিসেম্বরের মধ্যেই জেলা পরিষদ নির্বাচন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বরিশাল ওয়াচ ২৪

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জেলা পরিষদের ১৫টি ওয়ার্ড ভাগ করে গেজেট নোটিফিকেশন ও শুনানি চূড়ান্ত করা হবে। ফলে এ বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই জেলা পরিষদ নির্বাচন দিতে পারবো।’

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জেলা পরিষদ আইনের (সংশোধিত) খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তাড়াহুড়া করে জেলা পরিষদ নির্বাচন কেন দেওয়া হচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি সংসদে পাঠিয়ে আইন হিসেবে পাস করতে অনেক সময় লাগে, এজন্য আমরা অর্ডিন্যান্স (অধ্যাদেশ) জারি করে বিষয়টির সমাধান করছি।’

বিদ্যমান ব্যবস্থায় স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে মতবিরোধ দেখা যায়, নতুন করে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে অন্যদের সঙ্গে ক্ষমতা নিয়ে মতবিরোধ হবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘মতবিরোধ না থাকলে উন্নয়ন হয় না। যেখানে ‘ডিফারেন্স অব ওপেনিয়ন’ থাকে না সেই জায়গাগুলো নিয়ে আমরা চিন্তিত থাকি।সেখানে হয় ফেরেশতা না হয় শয়তানের শাসন থাকে। কিন্তু মানুষের শাসন থাকলে মতবিরোধ থাকতেই পারে। আর মতবিরোধ থাকলেই উন্নয়ন হয়।’’

তাড়াহুড়া করে এই নির্বাচন দেওয়ার পেছনে রাজনৈতিক কোনও উদ্দেশ্য আছে কিনা? জানতে চাইলে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ‘এমন কোনও উদ্দেশ্য সরকারের নেই।’

মার্কা বা দলীয় প্রতীকের অধীনে জেলা পনিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গেজেট জারির পর নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে নির্বাচন কীভাবে হবে। এটা তাদের বিষয়। তাদের নীতিমালায় সবকিছু অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নতুন এ আইনের ১৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ হবে ২১ সদস্যের। যার মধ্যে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য। তারা নির্বাচিত হবেন সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড কাউন্সিল ও মহিলা সদস্য, পৌরসভার মেয়র এবং কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে।

২০ (৩) উপ ধারায় বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোনও প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ৬ মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

৩১ ধারায় বলা হয়েছে, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে চেয়ারম্যানের কাছে। তবে তার অনুপস্থিতিতে কাউন্সিলরদের মধ্যে থেকে একজন বা সরকারি কর্মকর্তাও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তবে সেটা সরকার কর্তৃক গেজেট আকারে প্রকাশ করতে হবে।

Leave a Reply