সর্বশেষ সংবাদ

» পটুয়াখালীতে প্রথমে প্রেম, পরে শারীরিক সম্পর্ক: অতঃপর

Published: ০৫. নভে. ২০১৮ | সোমবার

অনলাইন ডেস্ক// প্রথমে প্রেম, পরে শারীরিক সম্পর্ক। একপর্যায়ে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে প্রেমিকাকে (২২) বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় প্রেমিক রনি।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। প্রেমিকের কাছে প্রতারিত হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন প্রেমিকা। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় রোববার অভিযান চালিয়ে মামলার দুই নম্বর আসামি মো. জলিলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলায় প্রেমিক মো. রনিকে (৩২) এক নম্বর আসামি করেছেন প্রেমিকা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মো. রনির সঙ্গে একই গ্রামের ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে তিন বছর ধরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ করে রনি। এতে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

নির্যাতিত তরুণী বলেন, তিন বছর ধরে বিয়ের প্রলোভনে আমাকে ধর্ষণ করেছে রনি। এতে আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি। বিয়ের কথা বললে আজ-কাল বলে সময়ক্ষেপণ করে আসছে রনি। আমি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিষয়টি কয়েক দিন আগে রনিকে জানিয়ে বিয়ের চাপ দিলে অস্বীকৃতি জানায় সে। আমার গর্ভে রনির সন্তান অথচ এখন আমাকে বিয়ে করতে চায় না রনি। কী করব কোনো উপায় না পেয়ে রনির পরিবারকে বিষয়টি জানাই। কিন্তু তারা কোনো সমাধান না দিয়ে উল্টো আমাকে হুমকি-ধামকি দেয়। সেই সঙ্গে কয়েক দিন ধরে আমাকে নানাভাবে হয়রানি করে চলছে রনি ও তার পরিবার। মান-ইজ্জতের ভয়ে বিষয়টি এতদিন চেপে রাখলেও নিরুপায় হয়ে মামলা করতে বাধ্য হয়েছি। আমি রনির উপযুক্ত বিচার চাই।

তরুণীর মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নির্যাতিত তরুণী তার প্রেমিক ও সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলার দুই নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রনিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।