সর্বশেষ সংবাদ

» ভোলায় টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সহোদরকে মারধর করালেন অধ্যক্ষ

Published: ০৮. নভে. ২০১৮ | বৃহস্পতিবার

অনলাইন ডেস্ক// ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মধ্য আড়ালিয়া রহমানিয়া আলিম মাদ্রাসার গাছ বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে অধ্যক্ষের নির্দেশে ছাত্ররা বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে বৃদ্ধ সহোদরকে মেরে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই বৃদ্ধ বর্তমানে পুলিশ প্রহরায় তজুমদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ ইব্রাহীম কিছুদিন আগে মাদ্রাসার এড়িয়া থেকে প্রায় দুই লাখ টাকা গাছ বিক্রি করেন। মাদ্রাসার ফান্ডে জমা না দেওয়ায় টাকার ভাগ দাবী করেন অধ্যক্ষের সহোদর জমিদাতা মফিজুল ইসলাম (৭০)। এই নিয়ে উভয়ের মধ্যে কয়েক দফা শালিস বৈঠক হয়। সোমবার দুপুরে মাদ্রাসা সংলগ্ন পুকুরের ঘাটলায় অধ্যক্ষ ও তার বৃদ্ধ সহোদরের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়।

 

এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে অধ্যক্ষের নির্দেশে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ মিজানুর ও মাওঃ ফারুকের নেতৃত্বে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র মোঃ সুমন ও মোঃ আল আমিন সহ ১৫/২০ জন অধ্যক্ষের সহোদর জমিদাতা মফিজুলের বসত ঘরে হামলা চালায়। এসময় তাকে মারধর করে মাদ্রাসা এনে কক্ষে আটকিয়ে রাখে। পরে সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ আহত মফিজুলকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করে।

এদিকে অধ্যক্ষ মাওঃ মোঃ ইব্রাহিম হাসপাতালে ভর্তি হয়ে বড় ভাই মফিজুল সহ পাঁচ জনকে আসামী করে থানা মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে পুলিশ প্রহরায় আহত মফিজুল তজুমদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ৮নং ওয়ার্ড সাবেক ইউপি সদস্য জাকির হোসেন জানান, রেইন্টি, চাম্বুল ও মেহগনি সহ প্রায় দুই লাখ টাকা গাছ অধ্যক্ষ বিক্রি করেন মোস্তফা বেপারী ও আলাউদ্দিন বেপারীর কাছে। এসব নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। মিমাংশার চেস্টা করা হয়েছিল।

তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, মারামারির ঘটনায় এজহার ভুক্ত একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীর আছে।