» বরগুনায় ১ মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ বিল ১৫০ থেকে ৯ হাজার

Published: ১৫. নভে. ২০১৮ | বৃহস্পতিবার

বরগুনার তালতলী উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিসে এক মাসের ব্যবধানে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল ১৫০ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৯ হাজার ২৪ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার আনোয়ার হোসেন তালুকদার তালতলী প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে কলাপাড়া জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন।

শুধু আনোয়ার হোসেন নয়, কয়েক মাস ধরে বিদ্যুৎ বিলের এমন ঊর্ধ্বগতি নিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন অনেকে বিদ্যুৎ গ্রাহকরাই। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ দিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় প্রতিদিনই গ্রাহকরা এসব বিলের কাগজ নিয়ে হাজির হচ্ছেন। কিন্তু তাতেও কোনো সমাধান পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী এসব গ্রাহকরা।

আনোয়ার হোসেন জানান, তার বিদ্যুৎ বিলের হিসাব নম্বর ৩৪০-৪৩৯৫। তিনি তার বাড়িতে অ্যানার্জি ৭, ১৫, ১৮ ও ২০ ওয়ার্ড সেভিং ল্যাম্পস ব্যবহার করেন। এতে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ১২০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল দিয়ে আসছে আনোয়ার হোসেন। গত এপ্রিল মাসে হঠাৎ নয় হাজার ২৪ টাকা বিদ্যুৎ বিলের কাগজ বাড়িতে দিয়ে যায় পল্লী বিদ্যুৎ।

পরে বিলের কাগজ নিয়ে কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনেরাল ম্যানেজারের (ডিজিএম) কাছে অভিযোগ দিলে তিনি বলেন, ‘এ মাসের টাকা জমা দেন আগামী মাস থেকে ঠিক হয়ে যাবে। ’ কিন্তু পরবর্তী মে মাসেও এই হিসেব নম্বরে ১৪ হাজার ৮৬ টাকার বিল দিয়ে যায় বাড়িতে।

এরপর থেকে সে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা বন্ধ করে দেয়। বিগত তিন মাস ধরে মিটার থেকে কোনো বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি প্রতি মাসে বিলের কাগজ পাঠিয়ে দিচ্ছে তার বাড়িতে।

আনোয়ার হোসেন প্রশ্ন করে বলেন, ‘যেখানে মিনিমাম চার্জ ৩০ টাকা আসার কথা, সেখানে এত গায়েবি বিল আসে কীভাবে। কী অদ্ভুত সিস্টেম পল্লী বিদ্যুতের। তারা গ্রাহকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত বিল আদায় করলেও কারোরই কিছু বলার সুযোগ নেই। তাদের এসব স্বেচ্ছাচারিতা মুখ বুজে সহ্য করতে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে কলাপাড়া জোনাল অফিসের আওতায় শতাধিক বিদ্যুত গ্রাহকরা, সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম শহিদুল ইসলাম মঠুফোনে বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ আসছে কি না মনে নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’